khushir jhuli

Blood Donation Camp

16 Nov

Operation BulBul

  • 6:00 am
  • Sundarban

Cyclone Bulbul, which made landfall between West Bengal and Bangladesh coasts, claimed at least 10 lives and affected at least 2.73 lakh families in different parts of the state.

Stand with People affected by BulBul

Cyclone Bulbul, which made landfall between West Bengal and Bangladesh coasts, claimed at least 10 lives and affected at least 2.73 lakh families in different parts of the state.

 

Operation Bulbul

A joint effort by Helping Hand, Pratyasha and Khushir Jhuli to provide relief to the people affected by Cyclone Bulbul.

Article written by:

Partha Sarathi Bag

পাথর প্রতিমা থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা লঞ্চে করে এসে পৌঁছলাম সুন্দরবনের প্লট জি তে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথর প্রতিমা ব্লকের শেষ দ্বীপ হল এই প্লট জি। বুলবুলের সবথেকে বেশি প্রভাব পরেছে এই দ্বীপটিতে। সমুদ্র আর নদী দিয়ে ঘেরা এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ চাষ ও মাছ ধরার উপর ভরসা করেন, জীবিকার খোজে অনেক যুবক ভিন রাজ্যে থাকেন। বুলবুলের পর কেটে গেছে এক সপ্তাহ কিন্তু তার ঘা এখনও স্পষ্ট হয়ে আছে এখানে। যত ভিতরে ঢুকতে লাগলাম ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে লাগলো। ১৭ই নভেম্বর রবিবার পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং মানুষের সাথে কথা বলেন জেলা শাসক পি উলগানাথন; বিধায়াক সমীর জানা। সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সমুদ্র লাগোয়া গোবর্ধনপুর ও তার লাগোয়া গ্রামগুলি। বুলবুল একটি বাড়িকেও আস্ত রাখেনি। এখানকার বেশিরভাগ বাড়ি মাটির, খড় টালি বা টিনের চাল পাকা বাড়ি হাতে গোনা তাই ক্ষতির পরিমাণ খুব বেশি। বাবলা, ইউকেলেপ্টাস ঝাউ সব ভেঙ্গে কোথাও রাস্তার উপর আবার কোথাও বাড়ির চালে পড়েছে। এখনও অনেক জায়গায় বিদ্যুতের খুটি পড়ে আছে রাস্তার উপর কোথাও মোবাইলের টাওয়ার উপড়ে পড়েছে । গোবর্ধনপুরের ঝাউ বন নামের পিকনিক স্পটের প্রায় সব ঝাউ গাছ ভেঙ্গে পড়ে গেছে। এখানকার প্রায় ৪০ শতাংশ বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত। পানীয় জলের নলকূপ আস্ত থাকলেও পুকুরের জল বাদামী রঙ নিয়েছে, ক্ষতি হয়েছে মাছ চাষের। বেশিরভাগ মানুষ রয়েছেন পলিথিন খাটিয়ে। ত্রান নিয়ে রয়েছে মানুষের অভিযোগ রয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।

কিছু জায়গায় ত্রানশিবির খোলা হয়েছে। অনেক NGO ত্রান বন্টন করেছে। এই রকম পরিস্থিতিতে এখানে ১৭ই নভেম্বর রবিবার হেল্পিং হ্যান্ড (Helping Hand, Amtala ) নামক একটি সংস্থা তাদের সাধ্যমত ত্রান বন্টন করেন গোবর্ধনপুর ও তার লাগোয়া গ্রামগুলিতে। ২০ জন সদস্য ৩টি মেশিন ভ্যানে সারাদিন ঘুরে গ্রামগুলির মানুষের হাতে ত্রান সামগ্রী তুলে দেন। এদের পরিচালনা করেন গঙ্গারামপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী রামানন্দজী।

খুশির ঝুলি(বজবজ শাখা) নামক আরও একটি সংস্থা তাদের মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ত্রান বণ্টন করেন পাথর প্রতিমার এল প্লটে। দুটি ক্ষেত্রেই পাথর প্রতিমা থেকে দ্বীপগুলিতে যোগাযোগের জন্য লঞ্চের বন্দবস্ত করেন পাথর প্রতিমা পাঞ্চায়েত সমিতি। তবে এই দ্বীপ গুলির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও অনেক সময় লাগবে ।

error: No No No!! Cannot right click